আসসালামু আলাইকুম 

পূর্ব নির্ধারিত বৈঠক হিসেবে ০৩/ ০৪/ ২৫ ইং রোজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৩:৩০ মিনিটে অত্র স্কুল ক্যাম্পাসে পুনর্মিলনী আয়োজনে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 


*আলোচনা সভার সারসংক্ষেপ* 


২০০৫ ব্যাচের শিক্ষার্থী জনাব ওয়াহেদুজ্জামান সোহাগের সঞ্চালনায় আজকের অনুষ্ঠান পরিচালিত হয়।


অনুষ্ঠানের শুরুতেই ৯৭ ব্যাচের শিক্ষার্থী রফিকুল ইসলাম পবিত্র কুরআন থেকে গুরুত্বপূর্ণ কিছু আয়াত তিলাওয়াত করেন।


অতঃপর মিটিংয়ে উপস্থিত ১৭টি ব্যাচের প্রতিনিধি ও শিক্ষার্থীরা নিজেদের পরিচয় উপস্থাপন করেন।


স্কুল প্রতিষ্ঠার পর থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত সকল ব্যাচের (বর্তমানে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি ব্যাতিত) শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে পুনর্মিলনী আয়োজনে সংক্ষেপে এর রুপরেখা উপস্থাপন করেন ৯৯ ব্যাচের শিক্ষার্থী জনাব আঁখিনূর জামান বকুল। তিনি অনুষ্ঠান বাস্তবায়নে উপস্থিত সকলের নিকট সুচিন্তিত মতামত, পরামর্শ, আদেশ, উপদেশ, নির্দেশনাসহ সার্বিক সহযোগিতা প্রার্থনা করেন।


উপস্থিত সকলের পরামর্শক্রমে পুনর্মিলনীর জন্য নিম্নোক্ত খসড়া কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এটা চুড়ান্ত কিছু নয়, আপনাদের পরামর্শের ভিত্তিতে এটা সংযোজন, বিয়োজন, পরিবর্তন বা পরিবর্ধন করা যাবে। 


...///...///...///...

পদাধিকারবলে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন অত্র স্কুলের প্রধান শিক্ষক।


এছাড়া আমাদের কোনো প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথি কিংবা আমন্ত্রিত অতিথি থাকবেন না।

 

অনুষ্ঠানের রূপরেখায় আলোচ্য বিষয় ছিল নিম্নরূপ:


 ১. অভ্যর্থনা।

 ২. আসন গ্রহণ।

৩. কুরআন তিলাওয়াত ও গীতা পাঠ 

  ৪. জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও সমবেত কন্ঠে জাতীয় সঙ্গীত।

  ৫. আনন্দ র‍্যালি।

  ৬. সকালের নাস্তা গ্রহণ। 

  ৭. দাতা গোষ্ঠীর সদস্যদের সংবর্ধনা ও উত্তোরীয় প্রদান।

৮. প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষকদেরকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান।

  ৯. স্মৃতিচারণ বক্তব্য।

  ১০. দুপুরের খাবার গ্রহণ।

  ১১. সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান 

  ১২. র‍্যাফেল ড্র


...///...///...///...

পুনর্মিলনীর জন্য সম্ভাব্য তারিখ ও চাঁদার হার নির্ধারণে আলোচনা হয়।


★ সম্ভাব্য তারিখ ও সময়:

৯ জুন ২০২৫, রোজ: সোমবার। সকাল ৮:০০ থেকে সারাদিন।


★ সম্ভাব্য চাঁদার হার: জনপ্রতি ১০০০/- টাকা মাত্র।


...///...///...///...

পুনর্মিলনী বাস্তবায়নে প্রাথমিকভাবে ০৭ সদস্য বিশিষ্ট একটি পরামর্শক কমিটি গঠন করা হয়েছে। উক্ত কমিটিতে যারা আছেন: 


০১. এডভোকেট বিনয় কুমার দাস (বিশু)

ব্যাচ: ১৯৭৮

ফোন: 01711 89 98 79

গ্রাম: সরকারপাড়া।


০২. প্রভাষক আব্দুর রাজ্জাক স্যার

ব্যাচ: ১৯৮০

ফোন: 01929 58 31 28

গ্রাম: কালেরপাড়া


০৩. হাম্মাদ আলী হিরু

ব্যাচ: ১৯৮২

ফোন: 01713 04 73 84

গ্রাম: চালাপাড়া


৪. আব্দুল মজিদ স্যার

ব্যাচ: ১৯৮৫

ফোন: 01817 61 28 40

গ্রাম: চালাপাড়া।


৫. ময়নুল হক খান ডুপলে

ব্যাচ: ১৯৮৬

ফোন: 01711 24 48 87

গ্রাম: বিশ্বহরিগাছা


৬. ড. শাহাদাৎ হোসেন স্যার

ব্যাচ: ১৯৮৭

ফোন: 01718 13 44 24

গ্রাম: চান্দারপাড়া।


৭. ফয়জুল করিম খালিদ 

ব্যাচ: ১৯৮৯

ফোন: 01724 39 63 45

গ্রাম: পারধুনট 



এছাড়া অনুষ্ঠান বাস্তবায়নে ০৯ সদস্য বিশিষ্ট একটি ওয়ার্কিং কমিটি গঠন করা হয়েছে।


এখানে সবার জ্ঞাতার্থে জানানো হচ্ছে যে- এটা শুধুমাত্র অনুষ্ঠান বাস্তবায়নে গঠিত একটি ওয়ার্কিং কমিটি, এটা কোনোভাবেই এলামনাই এসোসিয়েশনের কমিটির অংশ নয়। 


পুনর্মিলনী আয়োজনে গঠিত ওয়ার্কিং কমিটির তালিকা নিম্নে দেয়া হলো।


  ০১. আহ্বায়ক: 

আঁখিনূর জামান বকুল ব্যাচ: ১৯৯৯

ফোন: 01677 48 63 69

গ্রাম: চরপাড়া।


০২. যুগ্ম আহ্বায়ক: 

আবুল কালাম আজাদ  

ব্যাচ: ১৯৯৭

ফোন: 01761 52 14 18

গ্রাম: উত্তর অফিসার পাড়া


০৩. যুগ্ম আহ্বায়ক:

মাহবুব আলম চপল

ব্যাচ: ১৯৯৮ 

ফোন: 01716 15 32 33

গ্রাম: পশ্চিম ভরনশাহী।


  ০৪. কোষাধ্যক্ষ: 

ওয়াহেদ্দুজ্জামান সোহাগ ব্যাচ: ২০০৫ 

ফোন: 01739 60 62 30

গ্রাম: মোহনপুর। 


বাস্তবায়ন কমিটির সম্মানিত সদস্যগণ:


 ০৫. দুলাল তালুকদার  

ব্যাচ: ১৯৭৯

ফোন: 01718 96 95 92

গ্রাম: চালাপাড়া। 


০৬. সোলায়মান আলী স্যার

ব্যাচ: ১৯৮৪

ফোন: 01714 75 15 28

গ্রাম: বিলকাজুলি।


০৭. উজ্জল কুমার স্যার 

ব্যাচ: ১৯৯৪ 

ফোন: 01712 22 94 97

গ্রাম: সরকার পাড়া।

  

০৮. হাবিবুল্লাহ সিদ্দিক (অপূর্ণ রুবেল)

ব্যাচ: ২০০১

ফোন: 01716 13 38 91

গ্রাম: নয়া উল্লাপাড়া।


০৯. কাউসার আলী

ব্যাচ: ২০০৯ 

ফোন: 01773 34 00 92)

 গ্রাম: নলডাঙ্গা।

                             

পুনর্মিলনী বাস্তবায়ন কমিটির সম্মানিত সদস্যগণ অনুষ্ঠানের রূপরেখা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ১৭টি উপকমিটি গঠন করবেন। প্রতিটি উপকমিটিতে ৫ বা ততোধিক (প্রয়োজন অনুযায়ী কম/বেশি হতে পারে) সদস্য সংযুক্ত করে কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। 


উপরোক্ত কমিটির সম্মানিত সদস্যগণ কে কোন কোন উপকমিটির দায়িত্বে থাকবেন সেটি নিম্নে উল্লেখ করা হলো:


*দুলাল তালুকদার*:

১. দাতা গোষ্ঠীর সাথে যোগাযোগ ও আমন্ত্রণ বিষয়ক উপ কমিটি। 


২. দাতা গোষ্ঠীর সদস্যদের সম্মাননা ও উত্তরীয় প্রদান বিষয়ক উপ কমিটি।


৩. প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষকদের সাথে যোগাযোগ, আমন্ত্রণ ও সম্মাননা প্রদান বিষয়ক উপ কমিটি। 



*সোলায়মান আলী স্যার*:

৪. শৃঙ্খলা, নিরাপত্তা ও শোভাযাত্রা বিষয়ক উপ কমিটি। 


৫. অভ্যর্থনা ও সংবর্ধনা বিষয়ক উপ কমিটি।


৬. আপ্যায়ন বিষয়ক উপ কমিটি। 


৭. পানি, স্যানিটেশন ও চিকিৎসা বিষয়ক উপ কমিটি।


*উজ্জ্বল স্যার*:

৮. অর্থ বিষয়ক উপ কমিটি (বাজেট প্রণয়ন, নিয়ন্ত্রণ ও নিরীক্ষণ)।


৯. রেজিস্ট্রেশন (অনলাইন ও অফলাইন) বিষয়ক উপ কমিটি।


১০. স্পন্সর সংগ্রহ বিষয়ক উপ কমিটি।


*হাবিবুল্লাহ সিদ্দিক (অপূর্ণ রুবেল)*:

১১. সাংস্কৃতিক বিষয়ক উপ কমিটি।


১২. ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট বিষয়ক উপ কমিটি ( মঞ্চ, আলোকসজ্জা ও 


১৩. র‍্যাফেল ড্র পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ক উপকমিটি।


১৪. অনুষ্ঠান সঞ্চালনা বিষয়ক উপকমিটি। 


*কাউছার আলী*

১৫. তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপ কমিটি।


১৬. যোগাযোগ ও প্রচারণা বিষয়ক উপ কমিটি 


১৭. ব্যাচ প্রতিনিধি বিষয়ক উপ কমিটি। 


...///...///...///...

ব্যাচ প্রতিনিধি হিসেবে প্রতি ব্যাচ থেকে ২ জন করে দায়িত্ব পালন করবেন।


তবে যেসব ব্যাচে ছেলে-মেয়ে উভয় ছিলো তারা ২ জন ছেলে এবং ১ জন মেয়ে নিয়ে ব্যাচ প্রতিনিধি দল গঠন করবেন।


...///...///...///...

অনুষ্ঠান পরিচালনা নিয়ে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করা হয়, যা নিম্নে উল্লেখ করা হলো:


*প্রচারণা*

১. এত বড় একটা আয়োজন সম্পন্ন করতে আমাদের সবাইকে আগামীকাল থেকেই প্রচারণা চালিয়ে যেতে হবে। প্রচারণার জন্য আমরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পাশাপাশি ব্যানার, ফেস্টুন, পত্রিকায় বিজ্ঞাপন, পেইজ বুস্ট, বাল্ক মেসেজ ইত্যাদি প্লাটফর্ম ব্যবহার করতে পারি।


২. আগামী ৭ দিনের মধ্যে একাধিক শর্ট ভিডিও তৈরি করে অনলাইন মাধ্যমে প্রচার করা হবে। প্রাথমিকভাবে উক্ত শর্ট ভিডিও তৈরির দায়িত্বে থাকবেন ২০১৬ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা। 


৩. এছাড়াও বৃহৎ পরিসরে প্রচারের স্বার্থে অন্যান্য ব্যাচের শিক্ষার্থীগণ তাদের দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে চমৎকার ভিডিও / ডকুমেন্টারি বানাতে পারবেন। 


৪. প্রচারের জন্য আগামী দুই দিনের মধ্যে ব্যানার বানিয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে টাঙিয়ে দেওয়া হবে। যার দায়িত্বে থাকবেন সুমন (২০১৬ ব্যাচ) এবং জিসান (২০২০ ব্যাচ)।


৫. ক্যাবল নেটওয়ার্কের (ডিস লাইন) মাধ্যমে প্রচারণা চালিয়ে যেতে হবে।


৬. রাজা-বাদশাদের সময়ের মতো ঢোলক এর মাধ্যমে ঢোল বাজিয়ে বিভিন্ন জনবহুল স্থানে প্রচারণা চালনো যেতে পারে।


৭. বগুড়ায় বর্তমান ভালো মানের কন্টেন্ট ক্রিয়েটর দ্বারা প্রচারের কাজ চালানো যেতে পারে। 


*আনন্দ র‍্যালী*

পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠানকে স্মরণীয় করতে বিশেষ বিশেষ কিছু কাজ করা যেতে পারে, যা নিম্নরূপ: 


১. আনন্দ র‍্যালীর উপকরণ হিসেবে ঘোড়ার গাড়ি, ব্যান্ড পার্টি, ব্যানার, ককশিট, হাতি এবং অন্যান্য আকর্ষণীয় জিনিসের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।


*উপহার*

১. সকল উপস্থিতিকে পোলো-শার্ট, ক্যাপ, মগ এবং ব্যাগ দেওয়া যেতে পারে।


২. দাতা গোষ্ঠীর জন্য ক্রেস্ট ও উত্তোরীয় প্রদান এবং প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষকদেরকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা যেতে পারে।


*আপ্যায়ন*

১. সকালে হালকা নাস্তার জন্য কলা, ডিম, রুটি ও বিস্কুটের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।


২. দুপুরে ভারী খাবারের জন্য কাচ্চি ও বোরহানির ব্যবস্থা করা যেতে পারে। 


*স্মরণিকা*

আমাদের বিদ্যালয়ে পড়ালেখা করা হাজারো শিক্ষার্থীর স্মৃতিগুলো ধরে রাখতে এবং স্কুলের ইতিহাস ও ঐতিহ্য সবাইকে জানানোর জন্য একটি স্মরণিকা তৈরি করা যেতে পারে।


*ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট*

আমাদের অনুষ্ঠানকে আকর্ষণীয় করে তুলতে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টে কিছু কাজ করা যেতে পারে যা নিম্নরূপ: 


১. মঞ্চের পেছনে জায়ান্ট স্ক্রিনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি দেখানো। 


২. স্কুলের পার্শ্ববর্তী নিরিবিলি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থান যেমন শহীদ মিনার চত্বরে একটি প্রজেক্টরের মাধ্যমে পুরো অনুষ্ঠান বাহিরের মানুষদেরকে দেখানোর ব্যবস্থা করা যেতে পারে।


৩. রোদ ও বৃষ্টির কথা মাথায় রেখে পুরো স্কুল মাঠ ত্রিপল দিয়ে ছেয়ে ফেলার ব্যবস্থা করা যেতে পারে। 


৪. উন্নত মানের সাউন্ড সিস্টেমের ব্যবস্থা করতে হবে। 


৫. সকলের স্মৃতি ধরে রাখার জন্য সেলফি স্ট্যান্ড, ফটো বুথ এবং ড্রোন ক্যামেরা দ্বারা ভিডিও গ্রহণ এবং পর্যাপ্ত ক্যামেরাম্যানের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।


৬. আমাদের বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা এবং মরহুম শিক্ষকগণের একটি তালিকা তৈরি করে তাদের ছবি এবং তথ্য সহ ব্যানার বানানো যেতে পারে। 


৭. সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের জন্য লোকাল এবং ন্যাশনাল পর্যায়ের ব্যান্ড দ্বারা মনোরঞ্জনের আয়োজন করা যেতে পারে।


৮. সবশেষে আমাদের বগুড়া থিয়েটার অথবা স্কুলের বর্তমান এবং প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের দ্বারা ছোট নাটিকা এবং নাচ ও গানের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।


...///...///...///...

এছাড়াও আরো কিছু বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া যেতে পারে, যেমন:


১. যে ব্যাচে থেকে সর্বোচ্চ সংখ্যক  উপস্থিত হবে তাদের জন্য আলাদা সম্মাননা স্মারকের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। 


২. প্রত্যেক ব্যাচের আলাদা আলাদা নামে পোলো শার্ট তৈরি করা যেতে পারে। 


৩. আমাদের অনুষ্ঠানে এমন কিছু ইউনিক আয়োজন করা যেটা সকলের মনে সহ গোটা দেশে মানুষের মনে দাগ কেটে থাকবে এজন্য সবাই যে যার মত বুদ্ধি/ পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করা।


*স্পন্সর সংগ্রহ*

১. স্পন্সর সংগ্রহের ক্ষেত্রে আমরা খেয়াল রাখবো- প্রতিষ্ঠান ব্যাতীত কোনো ব্যক্তির থেকে আমরা স্পন্সর নেবো না।


২. ব্যক্তিগত স্পন্সর ব্যতীত যেকোনো প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে স্পন্সর সংগ্রহ করতে দায়িত্বপ্রাপ্ত টিমের বাহিরে যে কেউ স্পন্সর ম্যানেজ করে দিতে চাইলে তাকে স্বাগত জানানো হবে।


*পরিশেষে নিবেদন*


প্রতিটি ব্যাচ থেকে ব্যাচ প্রতিনিধিদের নামের তালিকা এবং বিভিন্ন উপকমিটিতে দক্ষতার ভিত্তিতে কে বা কারা কোন ধরনের দায়িত্ব পালন করতে আগ্রহী স্বেচ্ছায় এমন কিছু নাম দিয়ে সহযোগিতা করতে আপনাদেরকে অনুরোধ করছি।


একই সাথে কোনো ধরণের দ্বিধা না রেখে পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান সফলভাবে বাস্তবায়নের স্বার্থে আপনাদের প্রত্যেকের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ, সহযোগিতা অব্যাহত রেখে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা প্রদান করতে সবাইকে অনুরোধ করছি। 


অনুরোধে,

ফয়জুল করিম খালিদ 

ব্যাচ: ১৯৮৯ 

ফোন: 01724 39 63 45

পুনর্মিলনী বাস্তবায়নে পরামর্শক কমিটির সদস্য।